বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:০৭ অপরাহ্ন

আমদানির খবরে ৬০০ টাকার কাঁচা মরিচ এখন ৩০০ টাকায়

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৩ জুলাই, ২০২৩

ডেস্ক নিউজ: ভারত থেকে আমদানির খবরে কাঁচা মরিচের বাজার কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। গতকাল পর্যন্ত যে কাঁচা মরিচ খুচরা বাজারে ৬০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে একদিনের ব্যবধানে সেটির দাম কমে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দুই একদিনের মধ্যে দাম আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ঈদের আগে কাঁচা মরিচ ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হলেও ঈদের পরদিন থেকে ৬০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতে দেখা গেছে। গতকাল পর্যন্ত প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে সোমবার (৩ জুলাই) সকাল থেকে সেই কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিন সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার গিয়ে মরিচের দামের এই পরিবর্তন দেখা যায়। স্থানভেদে খুচরা বাজারে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রচণ্ড খরায় ফলন কম আসায় ও গাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বাজারে কাঁচা মরিচ সংকট দেখা দিয়েছে। এ সুযোগে হঠাৎ কাঁচা মরিচের দাম বাড়িয়ে দেন ব্যবসায়ীরা। তবে বিক্রেতাদের দাবি, বৃষ্টি ও পরিবহন সংকটে কমে গেছে মরিচের সরবরাহ। তাই দাম ঊর্ধ্বমুখী। মূলত বর্ষকাল হওয়ায় ও ঈদের কারণে সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচের। এইজন্য খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে।

রাজধানীর বাজারে কাঁচা মরিচ কিনতে আসা ক্রেতা আরিফুল ইসলাম বলেন, মরিচের দাম বেশি হওয়ায় এই কয়দিন কেনা হয়নি। আজ ৩০০ টাকা কেজি হওয়ায় এক পোয়া মরিচ ৭৫ টাকা দিয়ে কিনলাম।

রাজধানীর বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর বলেন, ঈদের পর থেকেই পাইকারি বাজারে মরিচের দাম বেশি ছিল। এছাড়া সরবরাহ কম থাকায় মরিচের দাম বাড়তি ছিল। তাই খুচরা বাজারে আমাদের ৬০০ টাকা কেজি বিক্রি করতে হয়েছে। পাইকারি বাজারে দাম কমায় আমরা ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি করছি।

আরেক কাঁচামাল ব্যবসায়ী সিরাজ শেখ বলেন, একদিনের ব্যবধানে আমদানির খবরে কাঁচা মরিচের দাম কমেছে। খুচরা বাজারে ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর পাইকারি বাজারে আড়তদার মোক্তার ট্রেডার্সের মালিক মো. মোক্তার হোসেন মিঠু বলেন, অতিবৃষ্টি ও পরিবহন সংকটের কারণে ঈদের পর বাজারে মরিচের সরবরাহ কমে যায়। ফলে দাম বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে ভারত থেকে কাঁচা মরিচের আমদানি হওয়ায় বাজারে মরিচের দাম কমেছে। পাইকারি বাজারে মরিচ ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বৃষ্টি কমে গেলে আমাদের কৃষকরা খেত থেকে মরিচ তুলতে পারবে। তখন মরিচের দাম আরও কমে যাবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
স্বত্ব ©২০২৪ চাঁপাই এক্সপ্রেস ডটকম
Design By Raytahost
raytahost14