৫ মাস পর আদালতে নিয়ে আসা হলো মামুনুল হক কে – চাঁপাই এক্সপ্রেস.কম
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং
মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের জন্য আসছে নীতিমালা : কাদের রাজশাহীতে ফেসবুক লাইভে কষ্টের কথা জানিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা গোমস্তাপুরে বিষ পান করে একজন যুবকের আত্মহত্যা বাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নে জাতীয় মহিলা সংস্থার তথ্য আপা কর্তৃক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পায়ুপথে স্বর্ণ পাচারের চেষ্টা অতঃপর ৪টি স্বর্ণের বারসহ একজন আটক প্রথম দিনে দুই টন আম নিয়ে চাঁপাই ছাড়লো ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন চিরিরবন্দরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নারী ও কন্যা শিশুদের মানবাধিকার জোরদারকরণ সূচনা সভা অনুষ্ঠিত গোমস্তাপুরে ভূমিসেবা সপ্তাহ শুরু চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভূমি সেবা সপ্তাহ পালিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

৫ মাস পর আদালতে নিয়ে আসা হলো মামুনুল হক কে

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

চাঁপাই এক্সপ্রেস ডেস্ক নিউজ : ধর্ষণ মামলায় পাঁচ মাস পর নারায়ণগঞ্জ আদালতে নেওয়া হয় হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হককে। এদিন ১৩ দফায় তদন্তকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া আসামি পক্ষের আইনজীবীরা জেরা করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আগামী ১৯ মার্চ পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

এই মামলায় ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৩ দফায় ২৫ জনের পূর্ণ সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। আরেকজনের আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।

মামুনুল হকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ কে এম ওমর ফারুক নয়ন বলেন, মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আজ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামকে জেরা করা হয়েছে। আগামী তারিখে আবারও তাকে জেরা করা হবে। তিনি আমাদের জেরায় অনেক প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারেননি।

তিনি আরও বলেন, এত বড় একটা আলোচিত মামলায় বাদীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। তাহলে এটা সহজেই অনুমেয়, এটা একটা সাজানো মামলা। এতে প্রমাণিত হয়, এটা একটা ভুয়া মামলা। মিথ্যা মামলা। তিনি কারও কাছ থেকে তদন্ত করে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করতে পারেনি।

আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জেরা করেছে আসামি পক্ষের আইনজীবী। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে দুই দিন জেরা করেছেন। আরও একদিন জেরা করার জন্য সময় চেয়েছেন। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা ইচ্ছা করেই সময়ক্ষেপণ করেছে। এ পর্যন্ত যারা সাক্ষী দিয়েছেন সকলেই বাদীর পক্ষে সাক্ষী দিয়েছে। আসামি বাদীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে।

এর আগে দীর্ঘ ৫ মাস পর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয় মামুনুল হককে। সাক্ষী শেষে তাকে আবার কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর প্রথম দফায় মামুনুল হকের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝরনার সাক্ষ্য নেন আদালত। একইসঙ্গে ওই বছরের ৩ নভেম্বর মামুনুল হকের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণ মামলায় বিচারকাজ শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।

একই বছরের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে জান্নাত আরা ঝরনার সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওইসময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন। পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করেন এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান।

পরে এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের মামলা করেন ঝরনা। তবে ঝরনাকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করেন মামুনুল হক।

ঘটনার পর থেকেই মামুনুল হক মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসায় অবস্থান করছিলেন। এরপর সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
স্বত্ব ©২০২৪ চাঁপাই এক্সপ্রেস ডটকম
Design By Raytahost
raytahost14