বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদায়ী সংবর্ধনা  চাঁপাইনবাবগঞ্জে “যমুনা টেলিভিশনের” প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফ্রিল্যান্সিং (৬ষ্ঠ) ব্যাচের ক্লাস উদ্বোধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে বিএসটিআই কর্মকর্তারা শিবগঞ্জে জ্বালানি মজুদের দায়ে এক পাম্পে অভিযান চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফ্রিল্যান্সিং ৬ষ্ঠ ব্যাচের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে জোরপূর্বক জমি দখল ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মানববন্ধন শাহ্ নেয়ামতুল্লাহ কলেজের আয়োজনে ইফতার মাহফিল ফরজ গোসল না করে কি সেহরি খাওয়া যাবে?

চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে তরুণীর অনশন

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫

গোমস্তাপুর প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে স্বামীর বাড়িতে এক তরুণীর অনশনের খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার গোমস্তাপুর ইউনিয়নের বেগম নগর গ্রামের হুমায়ূন রেজার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে।

অনশনে থাকা তরুণীর জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার চকর্কীত্তি ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের রেজাউল করিমের মেয়ে সুলতানা খাতুন।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সকালে গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, হুমায়ুন রেজার বাড়ির সামনে তরুণীর অবস্থান। সেখানে সুলতানা খাতুন বলেন, আমি ঢাকায় একটি ক্লিনিকে নার্সের চাকরি করি এবং নাহিদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরি করেন। চাকরিরত অবস্থায় গত আড়াই বছর থেকে নাহিদের সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের সম্পর্ক থেকে গত ৭জনুয়ারি২০২৫ ইং তারিখে আমরা রাজশাহী জেলা কোটে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বিবাহ হয়। বিবাহের পর নাহিদের ছুটি না থাকায়। নাহিদ চলে যান চট্টগ্রাম আমি ঢাকায় চলে যায়। আমাদের সম্পর্ক ঠিক ছিল। গত এক দেড় মাস থেকে নাহিদকে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেন না। বিষয়টি নিয়ে আমি চিন্তায় পড়ি। এবং জানার চেষ্টা করি গত এক মাস আগে আমি জানতে পারি নাহিদ আমাদের বিয়ের কথা গোপন করে। আরও একটি বিয়ে করেছেন তাই আমি নাহিদের স্ত্রী স্বীকৃতির দাবিতে নাহিদের বাড়িতে অবস্থান করছি।

অবস্থানরত তরুণীর ওপরে মারমুখী অবস্থান নেয় নাহিদের বাবা হুমায়ুন রেজা ও চাচা আব্দুল লতিফসহ তার পরিবার ও স্থানীয় কয়েকজন ।

অনশনরত তরুণী স্ত্রীর স্বীকৃতি না পেলে আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দেন। তিনি আরও দাবি করেন আমার বিবাহের সব ডকুমেন্টস এবং পাশ ব্যাগের মধ্যে ১০ হাজার টাকা সহ পাশ ব্যাগটি ছিনিয়ে নেই নাহিদের পরিবার।

স্থানীয়রা জানান, এমন ঘটনা আমরা এর আগে দেখি নাই তাই দেখতে আসছি। আবার অনেকে বলেছেন তার কাছে যদি বিয়ের ডকুমেন্টস বা কাবিননামা থাকে তাহলে আমরা স্থানীয়রা বসে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে একটা সমাধান করবো।

নাহিদের বাবা মা বলেন, ওই মেয়েকে আমরা চিনি না আর আমার ছেলে ওইখানে কখনো এই ধরনের কাজ করে নাই । সে যদি আমার ছেলের বউ হয় তাহলে কাবিননামা দেখাতে বলেন। কাবিননামা দেখালে আমি বউ হিসেবে মেনে নেবো।

এদিকে সেনা সদস্য নাহিদ ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সুলতানা আমার মাদ্রাসা সহপাঠীর বড় বোন। আমি তার সাথে বড় বোনের মত আচরণ করেছি। তার সাথে আমার বিয়ে তো দূরের কথা। তার সাথে কখনো প্রেম করিনি। সে মিথ্যা দাবিতে আমার বাড়ি গিয়ে অবস্থান করছেন।

স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য আনজারুল ইসলাম বলেন, আমি দুপুর ১.৩০ মিনিটে খবর পেয়ে হুমায়ুন রেজার বাড়িতে গিয়ে দেখি একটি অপরিচিত মেয়ে হুমায়ুন রেজার বাড়িতে জোর করে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এসময় হুমায়ুন ও তার বড় ভাই আব্দুল লতিফ, মেয়েটিকে ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন।

গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ জানান, এলাকায় এমন একটি ঘটনা ঘটেছে শুনেছি। কোনো পক্ষ থেকে অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

এআরএসকে

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ
স্বত্ব ©2022-2026 চাঁপাই এক্সপ্রেস
Design By Raytahost
raytahost14